যদি

গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়



কতোভাবে বয়ে যেত জল…

নাচার-বৈরাঠ্য ছিল, ছিল আজগুবি ঢেউ—
অভিমান ধুয়ে নিত জলের মাধুরী!
অরব পাথর ছিল, চারপাশে à¦•à¦²à§‹à¦šà§à¦›à§à¦¬à¦¾à ¸-মায়া;
প্রতি গোধূলিতে, স্নানের অছিলা টেনে
ডুবে যেত নদী রঙের গহনে

আজ সব শুনশান। বাঁধ গড়ে,
দেওয়াল আড়াল তুলে, কোনমতে বেঁচে আছে গ্রাম;
দোকান-à¦•à§à¦Ÿà¦¿à ¦² হয়ে, ক্ষয় লেগে
কবে ঝরে গেছে বাণিজ্য-বিঠাস!
জলতরঙ্গ থেমে গেছে বলে
শরীর-খোলস ছেড়ে মাঠে নেমে গেছে বিষ!
শস্য-শরীর হিম,
আর্তনাদ জমা হয় রোজ অভ্যাস-à¦¬à§‹à¦¤à ²à§‡ …

আমি তো অন্ধ চাষী, তাই ধান-স্বপ্ন দেখি আজও
একা শুয়ে থাকি হেমন্ত-শয্ঠ¯à¦¾à§Ÿ ...
যদি মৃত সময়ের ক্ষেতে নামে দলছুট হাতি –
অবুঝ প্রহারে মাটির তমসা ভেঙে
যদি বীজ জেগে ওঠে ...
যদি তুমি কেঁপে ওঠো, কেঁদে ওঠো,
অশ্রুসাজে জেগে ওঠে নদী;

পাখির আশিসে ফের জেগে ওঠে ভোর!

ফেসবুক মন্তব্য